
দুর্গাপুরে এক পুলিশ আধিকারিকের বাড়িতে ইডির অভিযানে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে শুরু হওয়া তল্লাশি প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলে। বিকেলের দিকে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান ইডি আধিকারিকরা। সেই সময় তাঁদের হাতে একটি প্রিন্টার দেখা যাওয়ায় রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।
সূত্রের খবর, কড়া কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার মধ্যে বাড়ির ভিতরে দীর্ঘ সময় ধরে নথিপত্র ও বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস খতিয়ে দেখা হয়। তদন্তকারীরা বাড়ির বিভিন্ন অংশে খোঁজখবর চালান এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি পরীক্ষা করেন। তল্লাশি শেষে বেরোনোর সময় তাঁদের হাতে একটি প্রিন্টার দেখা যায়, যা ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অনুমান করা হচ্ছে, ওই ডিভাইসে হয়তো গুরুত্বপূর্ণ নথি বা লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য থাকতে পারে। যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ইডির তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।

এই অভিযানের সময় আরেকটি বিষয় বিশেষভাবে নজরে আসে—তল্লাশি চলাকালীন বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন না ওই পুলিশ আধিকারিক মনোরঞ্জন মণ্ডল। কেন্দ্রীয় সংস্থা তাঁর বাড়িতে অভিযান চালালেও তিনি সামনে না আসায় তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

উল্লেখ্য, এর আগেও গত ৩ ফেব্রুয়ারি তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। সেই সময় তাঁকে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হলেও তিনি উপস্থিত হননি বলে জানা যায়। একাধিক সমন উপেক্ষা করার পরই কি তদন্তকারী সংস্থা আরও সক্রিয় হয়েছে, তা নিয়েও জল্পনা চলছে।
গোয়েন্দা সূত্রে দাবি, কয়লা ও বালি পাচার চক্রের আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রভাবশালী মহলে যোগাযোগ রক্ষার ভূমিকা ছিল ওই পুলিশ আধিকারিকের। তল্লাশিতে উদ্ধার হওয়া নথি ও ডিজিটাল ডিভাইস খতিয়ে দেখেই তদন্তের পরবর্তী দিক নির্ধারণ করবে ইডি।















