
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন মোট আটজন বন্ধু রঙ খেলার পর একসঙ্গে পুকুরে স্নান করতে যান। সবাই স্কুলজীবনের বন্ধু এবং বর্তমানে বিভিন্ন কলেজে পড়াশোনা করছিলেন। তাঁদের কারওই সাঁতার জানা ছিল না বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
প্রথমে চারজন পুকুরে নামেন। আচমকাই তাঁদের মধ্যে দু’জন গভীর জলে তলিয়ে যেতে থাকেন। বাকি বন্ধুরা চিৎকার করলে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে উদ্ধারকাজে নামেন। প্রথমে একজনের দেহ উদ্ধার করা হয়। প্রায় দশ মিনিট পর আর এক যুবকের দেহ পুকুর থেকে তোলা হয়।
তৎক্ষণাৎ তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় Durgapur Sub Divisional Hospital-এ। সেখানে চিকিৎসকেরা দু’জনকেই মৃত বলে ঘোষণা করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আকাশ শ্রীবাস্তব জানান, “আমরা কেউ সাঁতার জানতাম না। চোখের সামনে দুই বন্ধু তলিয়ে গেল।” আরেক যুবক অভিজিৎ বাউড়ি বলেন, পুকুরের একদিক বেশ গভীর হলেও গ্রামের অনেকেই প্রতিদিন সেখানে স্নান করেন। এর আগে এমন দুর্ঘটনা ঘটেনি বলেই দাবি তাঁদের।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় ধান্ডাবাগ ও আমরাই এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। রঙের উৎসবের দিনে এমন দুর্ঘটনা স্তব্ধ করে দিয়েছে গোটা এলাকা।














